সাতদিন পিছিয়ে চসিক বইমেলা শুরু হবে 17 ফেব্রুয়ারি

অবশেষে নগরেও বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি সিটি সিটি (চসিক). সাতদিন পিছিয়ে আগামী 17 ফেব্রুয়ারি শুরু হবে অমর একুশে একুশে. এবার মেলার ব্যাপ্তি চারদিন কমানো হয়েছে।

এবারও মেলা চলবে নগরের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে. ২019 ও ২0২0 সালেও সিটি কর্পোরেশন মাঠটিতে বইমেলা আয়োজন করে.

সিটি কর্পোরেশন আয়োজন করলেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রকাশনা প্রকাশনা, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্য শিল্প সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরাই সম্মিলিতভাবে বইমেলা বাস্তবায়ন করেন করেন. তাই তা ‘অভিন্ন বইমেলা’ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। এবার বাস্তবায়িত হলে তা হবে সম্মিলিত উদ্যোগের তৃতীয় তৃতীয়.

এর আগে নগরে ফেব্রুয়ারি মাসে একাধিক বইমেলা আয়োজিত আয়োজিত. ২019 সালে তৎকালীন সিটি মেয়র আ.জ নাছির নাছির উদ্যোগে অভিন্ন বইমেলা বইমেলা শুরু শুরু হয়.

বইমেলা আয়োজন করেনি তত এবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।

এ বিষয়ে গত ২২ জানুয়ারি দৈনিক আজাদীতে ‘বইমেলা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় চসিক, ঢাকায় প্রস্তুতি শুরু হলেও চট্টগ্রামে নিশ্চুপ, প্রকাশকরা চান মেলা হোক’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত প্রকাশিত হয়. এরপর নড়ে-চড়ে বসে চসিক।

সর্বশেষ গতকাল বৃহষ্পতিবার (২7 জানুয়ারি) লেখক, প্রকাশকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন করেন. এতে বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

অবশ্য করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার মেলার ব্যাপ্তি চারদিন চারদিন কমানো. এবার বইমেলা চলবে ১৫ দিন। সালে ও ২০২০ সালে ১০ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় মধ ২019 সালে ২1 দিন (বর্ধিত দুই দিনসহ) এবং ২0২0 সালে ২0 দিন মেলা মেলা চলে.

২0২0 সালে চট্টগ্রামের 40 টি এবং ঢাকার 118 টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ২05 টি স্টল ছিল. ২০১৯ সালে ছিল ১১০টি। ২0২0 সালে মেলা প্রাঙ্গণের আয়তন আয়তন ছিল এক লক্ষ01 হাজার 300 বর্গফুট যা ২019 সালে ছিল 80 হাজার 300 বর্গফুট.

এবার মেলার আয়তন ও স্টল সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু কিছু জানা. তবে ২0২0 সালের মতো সমসংখ্যক প্রকাশক অংশ নিবেন বলে ব্যক্ত করেন সিটি সিটি মেয়র করিম করিম চৌধুরী.

তিনি বলেন, “করোনা মহামারির কারণে গত বছর (২0২1) প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও অমর একুশে বইমেলা শুরু করতে পারিনি পারিনি. এবার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগামী 17 ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে বইমেলা শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে. তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আলোকে বইমেলা আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা করা করা. “

মেয়র বলেন, “কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে বইমেলায় ক্রেতা ও পাঠকরা আসতে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছি নিচ্ছি নিচ্ছি.”

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা বিশ্বাস করে না তাদের প্রকাশিত বই যাতে দায়িত্ব না না পায় সেই ব্যাপারে করেন নিয়ে কাজ করতে হবে বলেও করেন করেন মেয়র করতে করতে বলেও বলেও মেয়র মেয়র মেয়র.

২০২১ সালে মেলা হয়নি যে কারণে:
২0২0 সালের ধারাবাহিকতায় ২0২1 সালেও লেখক এবং প্রকাশকের প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল বইমেলাকে বইমেলাকে ঘিরে. তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলা বইমেলা করা সম্ভব ফেব্রুয়ারি হয়নি.

পরবর্তীতে একই বছরের ২ মার্চ বইমেলাকে ঘিরে আন্দরকিল্লাহস্থ নগর ভবনে সৃজনশীল প্রকাশক ঘিরে, সাহিত্যিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্য শিল্প সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কর্মকাণ্ডে সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী করেন করেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী. সেদিন ২3 মার্চ থেকে 11 এপ্রিল পর্যন্ত বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়.

পরে ২0 মার্চ জেলা প্রশাসন চসিককে চসিককে, ২7 ও ২8 মার্চ জিমনেশিয়াম মাঠে উন্নয়ন মেলা করবে. এর প্রেক্ষিতে ২1 মার্চ বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২ মার্চ মেলা শুরু শুরু হবে.

তবে উদ্বোধনের দুই দিন আগে ২ ২ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করেন সিটি সিটি. সেদিন উপস্থিত প্রকাশক ও লেখকদের সঙ্গে আলোচনা করে করোনা পরিস্থিতির অবনতি বইমেলার তারিখ তারিখ পেছানোর ঘোষণা তিনি.

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে মেয়র বলেন,’২3 মার্চ বইমেলা শুরুর কথা কথা. আমরা সব আয়োজন শেষ করেছি। অনিবার্য কারণে সেটা পিছিয়েছে। দেশে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে। কোনো ব্যাপারে যেন বইমেলা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে ‘. সবার সাথে আলোচনা শেষে মেয়র ওইদিন বলেন, ‘আমি মেলা বন্ধ করার পক্ষপাতি পক্ষপাতি. পরিস্থিতি বিবেচনায় তারিখ পিছিয়ে দেয়া যায়। মেলা নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে বিজয় মেলার পূর্ব পর্যন্ত সময়ে আয়োজন করা হবে. ‘ যদিও এ ঘোষণা অনুযায়ী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে মেলা আয়োজিত হয়নি. অবশ্য এক্ষেত্রে প্রকাশকদেরও তেমন আগ্রহ জ


Source: দৈনিক আজাদী by dainikazadi.net.

*The article has been translated based on the content of দৈনিক আজাদী by dainikazadi.net. If there is any problem regarding the content, copyright, please leave a report below the article. We will try to process as quickly as possible to protect the rights of the author. Thank you very much!

*We just want readers to access information more quickly and easily with other multilingual content, instead of information only available in a certain language.

*We always respect the copyright of the content of the author and always include the original link of the source article.If the author disagrees, just leave the report below the article, the article will be edited or deleted at the request of the author. Thanks very much! Best regards!