ভেজাল ওষুধ বিক্রি : আইনের প্রয়োগ জরুরি

মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল-ভেজাল ওষুধের কাছে জিম্মি হয়ে হয়ে পড়েছে. কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ভেজাল বা নিম্নমানের বিক্রি বিক্রি হয়. মোট ওষুধ বিক্রির প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ (পবা) সমমনা 10 টি সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, দেশে বছরে 300 কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ তৈরি তৈরি. দেশের ওষুধ-শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে ওই অনুষ্ঠানে জানানো হয় বরাত দেশে মোট উৎপাদিত ওষুধের ওষুধের ২ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি বছর বছর ওষুধের কোটি বেশি পরিমাণ অর্থের ভেজাল, নকল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি তৈরি হয়. নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পানি ভেজাল ওষুধ বাজারর ॕত তত অনেক সময় এসব ওষুধে উৎপাদন ও মেয়াদের শেষ তারিখও থাকে না. . সারাদেশে এমন ফার্মেসির সংখ্যা আরো বেশি হবে। এসব ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারিত প্রতারিত হচ্ছেন. মানসম্পন্ন ওষুধ যেমন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে, তেমনি মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ স্বাস্থ্যহানি এমনকি জীবননাশের কারণও হতে পারে. কাজেই ওষুধের মান সংরক্ষণ অতি গুরুতৌ অন্য খাদ্যপণ্যের মতো ওষুধের গুণমান ভোক্তাদের নিজেদের পক্ষে যাচাই যাচাই সম্ভব হয় নিজেদের না. এ কাজটির জন্য অপরিহার্য হলো প্রাতিষ্ঠানিক তদাররর উদ্বেগজনক ব্যাপার হলো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোধে আমাদের দেশে প্রাতিষ্ঠানিক তৎপরতা অপর্যাপ্ত. মাঝেমধ্যে আমরা অভিযান দেখি। সর্বশেষ গত 4 এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় নকল ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগে আয়ুর্বেদিক ল্যাবরেটরিজ কারখানা সিলগালা করা করা হয়েছে. জব্দ করা হয়েছে কারখানাটির মালামালও। পুলিশের তথ্য মতে, ওই কারখানা থেকে উৎপাদিত ওষুধ দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ওষুধ মার্কেট মিটফোর্ড এলাকায় পৌঁছে যেত. অধিদপ্তর সূত্র বলছে, অসাধু বিক্রেতারা অনেক সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের গায়ে নতুন করে মেয়াদ সংবলিত স্টিকার লাগিয়ে তা বিক্রি মেয়াদ করে করে করে করে. এছাড়া অনেক সময় বিদেশ থেকে আমদানি করা ওষুধের প্যাকেটে কোনো ধরনের তারিখ বা বা মেয়াদের তারিখ না. ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরির অন্যতম আখড়া হচ্ছে মিটফোর্ড এলাকা এবং থেকেই দেশের দেশের বিভিন্ন জায়গায় ওষুধ ছড়াচ্ছে ছড়াচ্ছে ছড়াচ্ছে বিভিন্ন বিভিন্ন ছড়াচ্ছে ছড়াচ্ছে ছড়াচ্ছে. মিটফোর্ডে গিয়ে মোবাইল কোর্টেরও হেনস্তা হওয়ার দৃষ্টান্ত দৃষ্টান্ত. অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষমতাঘনিষ্ঠ লোকজন এই নকল-ভেজাল ওষুধ বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত. এ খাতে দুর্নীতি, আইন প্রয়োগের শৈথিল্য, প্রশাসনের নজরদারির অভাব, দুর্বল বিচার ব্যবস্থা, প্রযুক্তিগত অসমর্থতা, দক্ষ প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব ভেজাল ওষুধ বাজারজাত করতে না অভাব ভেজাল প্রধান কারণ করতে করতে না প্রধান কারণ. অন্যদিকে আইনে এ-সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি কম হওয়াও বড় কারণ. ওষুধের বাজার ভেজালমুক্ত করা খুবই জরুরি। এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিশেষভাবে তৎপর হওয়া হওয়া. ওষুধের কারখানা ও বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা জোরদার করা, আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে আইন কঠোরও করার উদ্যোগ নিতে হবে. ওষুধ প্রশাসনের তৎপরতায় দুর্নীতি, শিথিলতা রাখা যাবে না. সর্বোপরি নকল-মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ উৎপাদক-বিক্রেতাদের সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার সরকারের.


Source: Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com.

*The article has been translated based on the content of Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com. If there is any problem regarding the content, copyright, please leave a report below the article. We will try to process as quickly as possible to protect the rights of the author. Thank you very much!

*We just want readers to access information more quickly and easily with other multilingual content, instead of information only available in a certain language.

*We always respect the copyright of the content of the author and always include the original link of the source article.If the author disagrees, just leave the report below the article, the article will be edited or deleted at the request of the author. Thanks very much! Best regards!