পদ্মা সেতু উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্মারক

পদ্মা সেতু দেশবাসীর করের টাকায় এবং নির্মিত জাতীয় আত্মবিশ্বাস আত্মবিশ্বাস সক্ষমতা ও গৌরবের প্রতীক।।। জাতীয় অর্থনীতিতে পদ্মা সেতুর গুরুত্ব, তাৎপর্য এবং উপযোগিতা অপরিসীম।।। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিশ্বের সেরা গহিন গরান বন সুন্দরবন: দ্বিতীয় ও তৃতীয় সমুদ্রবন্দর ও ও পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা বন বন বন বন গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান গরান পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা পায়রা গরান গরান গরান বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন বন তৃতীয় তৃতীয় চতুর্থ অষ্টম বৃহত্তম শহর খুলনা খুলনা বরিশাল বরিশাল ও ফরিদপুর বৃহত্তম বেনাপোল ও ভোমরা ভোমরা থাকা সত্ত্বেও যোগাযোগ যোগাযোগ ব্যবস্থার এবং বরিশাল ৬ টি জনগণের আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ উন্নয়নসহ শিল্প স্থাপন খাতে তেমন তেমন কোনো কোনো কোনো উন্নতি উন্নতি জনগণের আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ স্থাপন স্থাপন খাতে তেমন তেমন কোনো কোনো উন্নতি উন্নতি উন্নতি জনগণের আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ স্থাপন স্থাপন খাতে তেমন কোনো কোনো কোনো উন্নতি উন্নতি জনগণের আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ স্থাপন স্থাপন খাতে তেমন কোনো কোনো উন্নতি টি জনগণের আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ স্থাপন স্থাপন খাতে তেমন কোনো বিভাগের ৬ জেলার আর্থ আর্থ উন্নয়নসহ বিভাগের স্থাপন খাতে তেমন বরিশাল বিভাগের বিভাগের টি জনগণের আর্থ সাধিত হয়নি। ” ” । স্বাভাবিক এবং সঙ্গত কারণেই এ নির্মাণ দেশ ও জাতির কাছে ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্প।।।
বহুদিন ধরে চলছিল পদ্মায় সেতু উদ্যোগ উদ্যোগ- কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প অনুমোদন হলে কাজের কাজ কিছুই শুরু হচ্ছিল না।।। বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অনুধাবন ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে পদ্মায় সেতু নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদনের উদ্যোগ গৃহীত হয়।। সে সময় উদ্যোগটির সঙ্গে থাকার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি আজ উল্লেখ করতে পারি দুজনই পদ্মাপাড়ের তত্ত্বাবধায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড ড. ফখরুদ্দিন আহমদ এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম পদ্মা প্রকল্প অনুমোদনে সে দিন দৃঢ়চিত্ত অবস্থান নিয়েছিলেন বলেই একনেকে প্রস্তাব ও ও লাভ লাভ সম্ভব হয়েছিল।।
” . ” ২৫৭ কোটি টাকা (২১ শতাংশ)। ” কীভাবে সরকার সে অর্থেও করবে তার একটা রূপরেখাও সেখানে দেয়া হয়েছিল।।। লক্ষ্য ছিল পদ্মা সেতু নির্মাণে বাংলাদেশের মোড়লীপনা প্রতিষ্ঠিত হবে।।
পদ্মা সেতুতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের নিজের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় বিষয় যেখানে সেই শুরু থেকেই।।। ” অর্থায়ন (১২ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা) অনিশ্চিত হওয়ার প্রেক্ষাপট পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাড়তি মুখে দাঁড় দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশকে।।
পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্প বাংলাদেশের প্রধানতম প্রতিবন্ধকতা বরাবরই ছিল অর্থায়ন সমস্যা।। স্বল্প সুদে দীর্ঘসময়ে পরিশোধযোগ্য সহজ ঋণ ব্যবহারের কঠিন কঠিন হয়ে।। শর্তগুলো মোকবিলায় যে সময় হয় তাতে আবার নির্মাণ ব্যয়ও বেড়ে যায়।।। বাংলাদেশের প্রধান দশটি সেতু যথা যমুনা (বঙ্গবন্ধু), পদ্মা (লালনশাহ), ধলেশ্বরী (মোক্তারপুর), মেঘনা, গোমতি, কীর্তনখোলা (দপদপিয়া), রূপসা (খান জাহান আলী), ভৈরব (সৈয়দ নজরুল ইসলাম), তৃতীয় কর্ণফুলী, দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা নির্মাণের অভিজ্ঞতায় পুথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে সেতু নির্মাণের প্রকৃত ব্যয় মূল প্রাক্কলন থেকে কমবেশি প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।। ধলেশ্বরী, মেঘনা, গোমতি ও বুড়িগঙ্গা সেতু নির্মিত হয় টার্নকি ভিত্তিতে ভিত্তিতে, অনুদানে বাকি সেতু বিদেশি ঋণ এবং ঋণ অনুদান মিশেলে বাস্তবায়িত হয়েছে।।। সব সেতু সেতু সেতু বিদেশি। হয়েছে।। সব সব সেতু সেতু।।।।। সব সব সব।।।।।। সব।।।।।।।।।।।।।।। সব সব সব সব সব সব সব সব সব সব সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু সেতু বিদেশি বিদেশি বিদেশি ঋণ ঋণ এবং এবং অনুদান মিশেলে বাস্তবায়িত হয়েছে।।। মিশেলে বাস্তবায়িত হয়েছে হয়েছে হয়েছে।।। ” পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়ন সমস্যাটিই প্রতিবন্ধকতা এবং তা কাটাতে বড় সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।।।
স্বপ্নের সেতু পদ্মা এখন বাস্তবে বিদ্যমান। ” ব্যবস্থার উন্নয়নের আশাবাদ উঠে তা অর্জনের পথনকশায় অগৌনে নজর দেয়া দরকার।।। ” পদ্মা সেতুর উপকারভোগী সমাজ ও সক্ষম করে তুলতে পারলেই সেতুর সার্থকতা প্রতিপন্ন হবে।।।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ ১৯৩ ১৯৩ কোটি।। এর মধ্যে জাপান সরকারের ঋণ মওকুফ তহবিলের ৩০০ ৩০০ কোটি।। এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। ফলে সেতু বিভাগকে আসল হিসেবে হাজার ৯০০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিতে হবে।।। এর সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। অর্থাৎ সুদে-আসলে পরিশোধ করতে হবে ৩৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা।। ” ।
পদ্মা সেতুর স্থায়িত্বকাল ধরা হয়েছে ১০০ বছর। এ সময়ে সেতুটির গুরুত্ব (কেপিআই হিসেবে) বিবেচনায় টোলের টাকা দিয়ে নিরাপত্তা ও ও রক্ষণাবেক্ষণে বড় ব্যয় আবশ্যক হবে হবে।। সে কারণে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ আশানুরূপ টোল আদায়ের জন্য পদ্মা সেতু পরিচালনায় রাষ্ট্রায়ত্ত একটি কোম্পানি করার সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের আছে বলে জানা যায়।।।। গঠন করার করার পদ্মা সেতু যায়।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।। – সরকার যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু নির্মাণের সময় সময় সময় যমুনা সেতু সেতু কর্তৃপক্ষ গঠন করেছিল।।।। . সেতু কর্তৃপক্ষ সেতু বিভাগের একটি সংস্থা। এর অধীনে মুক্তারপুর সেতুও রয়েছে। পদ্মা সেতুর জন্য স্বতন্ত্র সত্তা করতে নতুন কোম্পানি গঠনে না গিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়ানোই হবে সমীচীন।।। নতুন করে কোম্পানি গঠনের অর্থ হবে বাড়তি ব্যয় সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ নিয়ামক ব্যবস্থাপনা যেখানে সুসমন্বয়ের ভালো ভালো নয় বাংলাদেশে।।।
একদিকে বন্দর আর অন্যদিকে ঢাকার সরাসরি যোগাযোগে সময় কমে আসায় পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে।।। সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে আকরাম গভীর সমুদ্রবন্দর হিসেবে স্থান নির্বাচন ও নির্মাণের।।। “
রাজধানী থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় বন্দরের দূরত্ব অর্ধেক এবং মোংলা বন্দরের দূরত্ব আরো কম।।। সাগর পাড় থেকে পণ্য পৌঁছাতেও লাগবে কম সময়। এই বিবেচনায় পদ্মা সেতু চালু পর নিঃসন্দেহে বাড়বে পায়রা ও মোংলা বন্দরের গুরুত্ব।।। সবকিছু মিলিয়ে ‘পদ্মা সেতু দক্ষিণের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আকাশ উচ্চতায়।।।’
” যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার অঞ্চলজুড়ে কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে।। সেতুর উদ্বোধন সামনে রেখে বছর থেকেই নানা ধরনের কাজ শুরু করেছিলেন কৃষির সঙ্গে জড়িত কৃষক কৃষক ব্যবসায়ী ও খামারিরা।।। .
যশোর-খুলনাসহ কয়েকটি জেলায় আগে থেকেই বিনিয়োগ বাড়িয়েছিলেন বাড়িয়েছিলেন যাতে সেতু পরপরই এর সুফল পাওয়া যায়।।। দেশের দক্ষিণ-পশিচমাঞ্চলে সবার মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।। কারণ প্রতিটি ক্ষেত্রের মানুষ যে ধরনের প্রয়োজনে সহজে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতে পারবে।।। এখানকার মাছ কখনো ঢাকার বাজারে যেতে পারেনি। অথচ হাজার হাজার টন মাছ হয় এখানে। চিকিৎসা থেকে আরম্ভ করে ব্যবসা-সব কিছুই পাল্টত এু এ সময় এতদঞ্চলের ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্প সংশ্লিষ্ট নতুন উদ্যোক্তাদের বিশেষ স্টার্টাপ ঋণ প্রকল্পের আনতে পারলে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও রেজিলিয়েন্ট ননফর্মাল সেক্টর গড়ে পারবে পারবে।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।। – পদ্মা সেতুর প্রাথমিক প্রভাব দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি খাতে আর দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসবে ভারি খাতে খাতে।। . সেতুর কারণে সব ধরনের তাদের সবচেয়ে কাক্সিক্ষত বাজারে দ্রুত যেতে পারবে।।। শুধু ঢাকা নয় বরং বড় বড় জেলা শহরগুলোতে এমনকি ভারতীয় সাত রাজ্যে তাদের পণ্য যাওয়ার সুযোগ পাবে।।।
” খুলনার যে মাছ ঢাকার বাজারে নেয়া ছি঳ এখন সেটিই সহজ হবে। যশোরের গদখালীর ফুল ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হয়।। আবার দেশের সবজির বাজারের বড় একটি অংশই যশোর যশোর অঞ্চল।। পদ্মা সেতু দিয়ে দ্রুত ঢাকার প্রবেশমুখে যদি মাছ নিয়ে যানবাহনকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে হয় হয় তাহলে সুফল সুফল পাওয়া না।।। তাই শুরু থেকেই পদ্মার দুপাড়ের সড়কগুলো সম্পর্কেও সতর্ক ও যত œ বান হতে হবে।।।

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ : কলাম লেখক, উন্নয়ননীত඿র বি঍; সাবেক চেয়ারম্যান- এনবিআর।
[email protected]


Source: Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com.

*The article has been translated based on the content of Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com. If there is any problem regarding the content, copyright, please leave a report below the article. We will try to process as quickly as possible to protect the rights of the author. Thank you very much!

*We just want readers to access information more quickly and easily with other multilingual content, instead of information only available in a certain language.

*We always respect the copyright of the content of the author and always include the original link of the source article.If the author disagrees, just leave the report below the article, the article will be edited or deleted at the request of the author. Thanks very much! Best regards!