তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা করুন – Bhorer Kagoj

রাজধানীতে খেলার মাঠকে ঘিরে তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটত. এখন সেইসব খেলার মাঠ নেই বললেই চলে। . মাঠ রক্ষায় দাঁড়ালে হয়রানি মামলা হামলারা হামলারও ঘটন গত রবিবার রাজধানীর কলবাগান এলাকায় এমন ঘটনা ঘটইेेট গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, স্থানীয় তেঁতুলতলা মাঠ কলাবাগান এলাকার খোলা জায়গা হিসেবে পরিচিত. শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি সেখানে ঈদের নামাজ, জানাজাসহ বিভিন্ন সামাজিক আয়োজন হয়. স্থানীয়রা জায়গাটি মাঠ হিসেবেই ব্যবহাਰ করে আস ওই মাঠে কলাবাগান থানার ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এজন্য পুরো মাঠে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হয়েচ নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। নির্মাণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে এলাকাবাসী. গত বছরের ২4 আগস্ট ঢাকা জেলা প্রশাসনের এক নোটিসে বলা হয় ডিএমপির কলাবাগান কলাবাগান থানার ভবন নির্মাণের জন্য এ সম্পত্তি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা এ হয়েছে. জেলা প্রশাসনের ওই নোটিসে এ জমিকে পতিত জমি জমি উল্লেখ করা হয় হয়. গত বছরের 11 সেপ্টেম্বর থেকে কলাবাগানের বাসিন্দা, পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠন, সমাজকর্মী, উন্নয়নকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিশু-কিশোররা এ নোটিসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে. গত রবিবার সকালে সেখানে গিয়ে ফেসবুকে লাইভ করেন করেন সমাজকর্মী রত œ া া. তিনি সেখানে ভবন নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সামগ্রী এবং কাঁটাতারের কাঁটাতারের দেয়ার দৃশ্য দেখান দেখান. এর কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে পুলিশের কাছে রত œ করার কারণ জানতে সৈয়দা রত রত œ এইচএসসি ছেলে পিয়াংশুকেও আটক করা করা হয়. রাতে মানবাধিকার কর্মী ও স্থানীয় লোকজন থানার সামনে সামনে বিক্ষোভ সৈয়দা রত œ া ও ও তার হয় হয় হয় হয় হয় হয়. এরপর থেকে প্রশাসনসহ নানা মহলে তেঁতুলতলা মাঠ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে. মাঠ রক্ষায় মা-ছেলে আন্দোলন করছেন। সেখান থেকে বিনা কারণে কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া আইন সমর্থন করে কি? পুলিশ বলছে, ঢাকা জেলা প্রশাসনের অনুমতির পরই থানা থানা নির্মাণের শুরু হয়েছে. এ বিষয়ে গত বছরের আগস্টে নোটিসও জারি করে জেলা রধ এদিকে থানা ভবন করতে তেঁতুলতলা মাঠ বাদ দিয়ে বিকল্প বিকল্প বের বাদ দিয়েছেন দিয়েছেন দিয়েছেন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্ত সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য. আমরাও দেখতে চাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন বাস্তবায়ন. . মাঠটি আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ হোক। রাজধানীতে দুই সিটি করপোরেশনের অধীনে খেলার মাঠ ও পার্ক রয়েছে 69 টি. বলার অপেক্ষা রাখে না, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণের কারণে এসব মাঠ হয়ে বেশিরভাগই সংকুচিত এবং এবং অনুপযোগী হয়ে পড়েছে পড়েছে পড়েছে এবং এবং এবং পড়েছে পড়েছে. কৈশোরে একমাত্র বিনোদনের স্থান হলো খেলার মাঠ। বর্তমান সমাজে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণের মধ্যে মধ্যে মাঠের স্বল্পতা অন্যতম অন্যতম. এর জন্য সমাজব্যবস্থা ও মফস্বল শহরগুলোর অপরিণত পরিকল্পনাই মুখ্য মুখ্য পালন করে অপরিণত থাকে. ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ-সবল দেখতে চাইলে খেলাধুলার বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে. এর জন্য খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও নতুন মাঠ তৈরির তৈরির গুরুত্ব দিতে নতুন হবে. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে মাঠ রক্ষার আইন মেনে চলতে হবে এই আইন আইন লঙ্ঘনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চিত করতে আইন লঙ্ঘনকারীদের হবে হবে হবে.


Source: Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com.

*The article has been translated based on the content of Bhorer Kagoj by www.bhorerkagoj.com. If there is any problem regarding the content, copyright, please leave a report below the article. We will try to process as quickly as possible to protect the rights of the author. Thank you very much!

*We just want readers to access information more quickly and easily with other multilingual content, instead of information only available in a certain language.

*We always respect the copyright of the content of the author and always include the original link of the source article.If the author disagrees, just leave the report below the article, the article will be edited or deleted at the request of the author. Thanks very much! Best regards!