কোভিড সারার এক বছর পরও উপসর্গ 45 শতাংশের শরীরে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেরে ওঠার ছয় মাস পরও রোগীর রোগীর নানা দেখা দেখা পরও. আর সেরে ওঠার তিন মাস পরও ভাইরাসটির উপসর্গ বিদ্যমান বিদ্যমান থাকছে শতাংশ রোগীর উপসর্গ শরীরে. এছাড়া আক্রান্ত হওয়ার এক বছর পরও উপসর্গের দেখা মিলছে 45 শতাংশ মানুষের মানুষের শরীরে.

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে উঠে. আইইডিসিআরের ওয়েবসাইটে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে.

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক কোভিড -19 রোগী সংক্রমণ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন উপসর্গে ভুগে ভুগে থাকেন. সুস্থ হওয়ার পরও এইসব উপসর্গকে পোস্ট কোভিড কন্ডিশন হিসেবে হিসেবে করছে স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য কন্ডিশন.

আইইডিসিআর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায় যে উচ্চ রক্তচাপে রক্তচাপে আক্রান্ত মধ্যে নিয়মিত ওষুধ সেবনকারীদের কোভিড ওষুধ সেবনকারীদের উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আশঙ্কা ওষুধ সেবনকারীদের তুলনায় প্রায় আক্রান্ত হওয়ার পর্যন্ত কমে যায় যায় প্রায় ভাগ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়. একইভাবে, ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে নিয়মিত ওষুধ সেবনকারী কোভিড -19 পরবর্তী উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় যারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন হওয়ার আশঙ্কায় তুলনায় প্রায় প্রায় ভাগ পর্যন্ত কমে যায় যায় প্রায় প্রায় কমে কমে যায়.

গবেষণার প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, উপসর্গযুক্ত কোভিড -19 রোগীদের উপসর্গ দেখা দেওয়ার 3 মাস, 6 মাস, 9 মাস ও 1২, 70 অতিক্রান্ত, 68 শতাংশ ও, 70 শতাংশ, 68 শতাংশ ও 45 শতাংশের দেহে কোভিড -19 পরবর্তী উপসর্গ দেখা দেখা. এতে প্রতীয়মান হয় যে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের কোভিড -19 পরবর্তী উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন প্রেসক্রিপশন মোতাবেক নিয়মিত সেবন সেবন করা প্রেসক্রিপশন জরুরি মোতাবেক মোতাবেক নিয়মিত জরুরি জরুরি জরুরি.

কোভিড -19 বিশ্বমারী প্রতিরোধে আইইডিসিআর থেকে সবাইকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাশাপাশি পূর্ণ ডোজ কোভিড -19 টিকা নেওয়ার পূর্ণ জানিয়ে বলা বলা হয়েছে, চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোভিড -19 পরবর্তী উপসর্গের মাধ্যমে ভবিষ্যতে হালনাগাদ তথ্য তথ্য পাওয়া যাবে আরও আরও হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে.

এদিকে দেশে গত এক দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও 15 জন মারা মারা. মোট মৃত্যু ২৮ হাজার ২৮৮ জনের। এছাড়া নতুন শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৮০৭ জন। . এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩ ৩ধ আর সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৪৩ জন।

গত৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন। তবে সেপ্টেম্বর থেকে তা কমতে শুরু করে। . তবে ডিসেম্বরের শেষ থেকে অব্যাহতভাবে বাড়ছে ি

(ঢাকাটাইমস/২৭জানুয়ারি/কেআর/ইএস)


Source: Dhakatimes24 Online by www.dhakatimes24.com.

*The article has been translated based on the content of Dhakatimes24 Online by www.dhakatimes24.com. If there is any problem regarding the content, copyright, please leave a report below the article. We will try to process as quickly as possible to protect the rights of the author. Thank you very much!

*We just want readers to access information more quickly and easily with other multilingual content, instead of information only available in a certain language.

*We always respect the copyright of the content of the author and always include the original link of the source article.If the author disagrees, just leave the report below the article, the article will be edited or deleted at the request of the author. Thanks very much! Best regards!